Eternal Return-এ অটো-সেভ ব্যবহার: রিপ্লে ও সেটিংস হারানো এড়ানোর বাস্তব গাইড

webmaster

이터널리턴 자동 저장 활용법 - Photorealistic over-the-shoulder view of a Bangladeshi gamer at a clean home desk, using a desktop c...

Eternal Return-এ অটো-সেভ বলতে কোন তথ্য সংরক্ষিত হতে পারে, সেটিংস কোথায় যাচাই করবেন এবং রিপ্লে বা রেকর্ড আলাদা করে ব্যাকআপ নেওয়া দরকার কি না—ধাপে ধাপে জানুন। স্টোরেজ, রেকর্ডিং টুল ও নিরাপদ ব্যবহারের সিদ্ধান্তের মানদণ্ডও থাকছে।

이터널리턴 자동 저장 활용법 관련 이미지 1

ইটার্নাল রিটার্নে অটো-সেভ চালু থাকলেই ম্যাচের রিপ্লে, ভিডিও ক্লিপ ও গেম সেটিংস—তিনটিই একইভাবে সংরক্ষিত হবে, এমন ধরে নেওয়া ঠিক নয়। সেটিংস সংরক্ষণ, ইন-গেম রিপ্লে এবং স্ক্রিন রেকর্ডিং আলাদা বিষয়; গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হলে আলাদা যাচাই ও ব্যাকআপই বেশি নিরাপদ।
আপডেট বা প্ল্যাটফর্মভেদে অপশনের নাম ও অবস্থান বদলাতে পারে, তাই ম্যাচ শেষে সংরক্ষণ-সম্পর্কিত অবস্থা দেখে নেওয়া ভালো। নিয়মিত ভিডিও রাখলে ফাঁকা ডিস্ক স্পেসও নজরে রাখতে হবে।
শুধু নিজের খেলা বিশ্লেষণ করতে চাইলে সাধারণ রিপ্লে যথেষ্ট হতে পারে। কিন্তু হাইলাইট ক্লিপ তৈরি, দলকে দেখানো বা দীর্ঘ সময়ের আর্কাইভ রাখতে চাইলে রেকর্ডিং টুল, ক্লাউড ব্যাকআপ কিংবা অতিরিক্ত গেমিং স্টোরেজ বিবেচনা করা যায়।
মূল কথা হলো: কী সংরক্ষণ করতে চান, কত দিন রাখতে চান এবং হারালে কতটা সমস্যা হবে—এই তিনটি প্রশ্নের উত্তর আগে ঠিক করুন।

এক নজরে দেখুন

  • গেম সেটিংস সংরক্ষিত হওয়া আর ম্যাচের রিপ্লে বা ভিডিও থাকা এক জিনিস নয়।
  • অটো-সেভ থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ ক্লিপ ও কনফিগারেশনের আলাদা ব্যাকআপ দরকার হতে পারে।
  • ভিডিও রেকর্ডিং নিয়মিত হলে খালি স্টোরেজ, ফাইল যাচাই ও সংরক্ষণ সময় ঠিক রাখা জরুরি।
সংরক্ষণের ধরন কী কাজে লাগে স্টোরেজের চাপ মূল ঝুঁকি কার জন্য উপযোগী
গেম সেটিংস কন্ট্রোল, গ্রাফিক্স বা ব্যক্তিগত পছন্দ ধরে রাখা সাধারণত কম আপডেট বা পরিবর্তনের পরে সেটিংস বদলে গেছে মনে হওয়া সব খেলোয়াড়
ইন-গেম রিপ্লে ম্যাচের সিদ্ধান্ত, রুট বা ভুল বিশ্লেষণ সংস্করণ ও পদ্ধতিভেদে ভিন্ন কত দিন থাকে বা কোথায় থাকে, তা নিশ্চিত না হওয়া উন্নতি করতে চান এমন খেলোয়াড়
ভিডিও রেকর্ডিং হাইলাইট, শেয়ারযোগ্য ক্লিপ ও বিস্তারিত পর্যালোচনা তুলনামূলক বেশি স্টোরেজ পূর্ণ হওয়া বা জরুরি ক্লিপ খুঁজে না পাওয়া কনটেন্ট তৈরি বা নিয়মিত বিশ্লেষণকারী
Advertisement

আগে বুঝুন—কোন জিনিসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষণ করতে চান

“অটো-সেভ” শব্দটি শুনে সব ডেটা নিরাপদ মনে হতে পারে, কিন্তু বাস্তবে আগে সংরক্ষণের ধরন আলাদা করতে হবে। ইটার্নাল রিটার্নের গেম সেটিংস আপনার কন্ট্রোল, গ্রাফিক্স বা পছন্দের কিছু কনফিগারেশন ধরে রাখার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। অন্যদিকে রিপ্লে হলো ম্যাচ আবার দেখা বা বিশ্লেষণের উপায়। আর ভিডিও ক্লিপ হলো স্ক্রিনে যা ঘটেছে তার আলাদা রেকর্ড।

এই পার্থক্য না বুঝলে একটি সাধারণ ভুল হয়: সেটিংস ঠিকঠাক ফিরে এসেছে দেখে ধরে নেওয়া যে ম্যাচের ভিডিওও আছে। আবার রিপ্লে পাওয়া গেছে বলে মনে করা হয় যে সেটি সহজে সম্পাদনা বা শেয়ার করার মতো ভিডিও ফাইল। প্রয়োজন অনুযায়ী পরিকল্পনা করলে অপ্রয়োজনীয় গেমিং স্টোরেজ খরচও কমে।

গেম সেটিংস, ম্যাচ রিপ্লে ও ভিডিও ক্লিপের পার্থক্য

গেম সেটিংস মূলত খেলার পরিবেশ ব্যক্তিগতভাবে সাজানোর জন্য। ম্যাচ রিপ্লে দরকার হয় নিজের অবস্থান, লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত বা ম্যাচের ধারাবাহিকতা দেখতে। ভিডিও ক্লিপ বেশি কাজে লাগে যখন নির্দিষ্ট মুহূর্ত সংরক্ষণ, সম্পাদনা বা অন্যকে দেখানো দরকার হয়।

আপনার লক্ষ্য যদি শুধু “কোথায় ভুল করলাম” দেখা হয়, তাহলে রিপ্লে-কেন্দ্রিক ব্যবস্থা যথেষ্ট হতে পারে। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট ফাইট বা শেষ মুহূর্তের হাইলাইট পরে ব্যবহার করতে চাইলে ভিডিও রেকর্ডিং বা ম্যানুয়াল ক্লিপ সংরক্ষণের বিকল্প গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

৩ লাইনের দ্রুত সিদ্ধান্ত: কখন অটো-সেভ যথেষ্ট নয়

  • গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের ক্লিপ পরে নিশ্চিতভাবে লাগলে শুধু অটো-সেভের ওপর নির্ভর করবেন না।
  • নিজের সেটিংস বদলানোর আগে পুরোনো কনফিগারেশন মনে রাখা দরকার হলে আলাদা নোট বা ব্যাকআপ রাখুন।
  • রেকর্ডিং ফাইল নিয়মিত জমলে স্টোরেজ পরিষ্কার ও সংরক্ষণ নীতি ছাড়া অটো-সেভ যথেষ্ট নয়।
Advertisement

সেটিংস থেকে সংরক্ষণ-সম্পর্কিত অপশন নিরাপদে যাচাই করার ধাপ

প্রথমে গেমের সেটিংস মেনুতে গিয়ে সংরক্ষণ, রিপ্লে বা রেকর্ডিং-সম্পর্কিত অংশ খুঁজুন। তবে সব সংস্করণ বা প্ল্যাটফর্মে একই নামের অপশন থাকবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই পরিচিত একটি নাম না পেলে মেনুর বিভাগগুলো দেখে কন্ট্রোল, গেমপ্লে, ভিডিও বা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশ পর্যবেক্ষণ করুন।

কোনো অপশন বদলানোর আগে বর্তমান অবস্থাটি লিখে রাখা বা স্ক্রিনশট রাখা সুবিধাজনক। বিশেষ করে সেনসিটিভিটি, কী-বাইন্ড বা গ্রাফিক্স সেটিংস বদলে গেলে আগের অবস্থায় ফেরা সহজ হয়। এটি ভিডিও ব্যাকআপের বিকল্প নয়, কিন্তু কনফিগারেশন হারানোর ঝুঁকি কমায়।

আপডেটের পরে অপশনের অবস্থান বদলালে কীভাবে খুঁজবেন

আপডেটের পর আগের পরিচিত জায়গায় কোনো সেটিংস না পেলে প্রথমে সেটিংসের বিভাগগুলো ধীরে দেখুন। তারপর গেমের অফিসিয়াল নির্দেশনা বা সংশ্লিষ্ট তথ্যপাতায় বর্তমান সংস্করণের বিবরণ মিলিয়ে দেখা ভালো। পুরোনো গাইডের নির্দিষ্ট মেনু-পথ অন্ধভাবে অনুসরণ না করাই নিরাপদ, কারণ অপশনের নাম বা অবস্থান পরিবর্তিত হতে পারে।

রিপ্লে বা রেকর্ডিং আছে কি না বোঝার জন্য ম্যাচ-পরবর্তী স্ক্রিনেও নজর দিন। ম্যাচ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই গেম বন্ধ না করে সংরক্ষণ-সম্পর্কিত অবস্থা যাচাই করলে পরে বিভ্রান্তি কম হয়।

পরিবর্তনের পরে একটি ছোট পরীক্ষা কেন দরকার

সেটিংস বদলানোর পর ছোট একটি ম্যাচ বা স্বল্প সময়ের পরীক্ষা করলে বোঝা যায় পরিবর্তনটি কার্যকর হয়েছে কি না। পরীক্ষার পরে গেম বন্ধের আগে দেখুন আপনার প্রয়োজনীয় সেটিংস আছে কি না, রিপ্লে-সম্পর্কিত কোনো অবস্থা দেখা যাচ্ছে কি না এবং রেকর্ডিং ব্যবহার করলে ফাইল তৈরি হয়েছে কি না।

এই যাচাইয়ের উদ্দেশ্য কোনো নির্দিষ্ট ফিচার আছে বলে ধরে নেওয়া নয়। বরং নিজের বর্তমান গেম সংস্করণ ও ব্যবহৃত টুলে কী কাজ করছে, তা নিশ্চিত করা।

Advertisement

সংরক্ষণ পদ্ধতির তুলনা—ডিস্ক স্পেস, সুবিধা ও ব্যবহারের মূল্য

কম জায়গায় বিশ্লেষণ করতে চাইলে রিপ্লে-কেন্দ্রিক চিন্তা, আর শেয়ারযোগ্য দৃশ্য রাখতে চাইলে ভিডিও-কেন্দ্রিক চিন্তা কার্যকর। ভিডিও রেকর্ডিং সাধারণত ডিস্কে তুলনামূলক বেশি জায়গা নেয়। তাই নিয়মিত রেকর্ড করলে রেকর্ডিংয়ের মান, কোন ম্যাচ রাখবেন এবং কত দিন রাখবেন—এসব আগে ঠিক করা দরকার।

উচ্চ মানের রেকর্ডিং সব সময় সবার জন্য লাভজনক নয়। আপনার লক্ষ্য যদি শুধু নিজের ভুল দেখা হয়, তাহলে পরিষ্কারভাবে বোঝা যায় এমন মানই যথেষ্ট হতে পারে। বিপরীতে সম্পাদনা বা হাইলাইট ক্লিপ তৈরির পরিকল্পনা থাকলে মান ও স্টোরেজের ভারসাম্য ভেবে রেকর্ডিং সফটওয়্যার বেছে নিতে পারেন।

গেমের নিজস্ব রিপ্লে, স্ক্রিন রেকর্ডিং ও ম্যানুয়াল ক্লিপ

নিজস্ব রিপ্লে থাকলে ম্যাচ বিশ্লেষণের জন্য সহজ হতে পারে, কিন্তু এটি ভিডিও ফাইলের সমান কি না বা কত দিন থাকে—তা সংস্করণভেদে যাচাই প্রয়োজন। স্ক্রিন রেকর্ডিং ম্যাচের দৃশ্য আলাদা ভিডিও হিসেবে রাখার পথ, তবে এটি ডিস্ক স্পেস নেয় এবং তৃতীয় পক্ষের রেকর্ডিং টুলের সামঞ্জস্যতা বা পারফরম্যান্স প্রভাব আলাদা হতে পারে।

ম্যানুয়াল ক্লিপ পদ্ধতিতে পুরো ম্যাচ না রেখে শুধু দরকারি মুহূর্ত আলাদা করে রাখার চেষ্টা করা যায়। সীমিত SSD জায়গা থাকলে এটি কার্যকর অভ্যাস হতে পারে। তবে ক্লিপ নেওয়ার আগে ও পরে ফাইলটি ঠিকমতো তৈরি হয়েছে কি না যাচাই করা জরুরি।

বেশি স্টোরেজ বা ক্লাউড ব্যাকআপে খরচ করার যুক্তিসঙ্গত সময়

যখন আপনি নিয়মিত ভিডিও রাখছেন, পুরোনো ফাইল মুছতে গিয়ে দরকারি ক্লিপ হারাচ্ছেন, অথবা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কনফিগারেশন ও রেকর্ড আলাদা রাখতে চান—তখন অতিরিক্ত গেমিং স্টোরেজের প্রয়োজন বিবেচনা করা যৌক্তিক। ক্লাউড ব্যাকআপ বেশি অর্থবহ হতে পারে যখন ফাইল অন্য ডিভাইস থেকেও দেখতে চান বা স্থানীয় ডিস্কের বাইরে একটি কপি রাখতে চান।

তবে আগে ফাইল বাছাইয়ের নিয়ম বানান। সব ম্যাচের ভিডিও জমিয়ে রাখার বদলে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, শেখার মতো ভুল এবং ব্যবহারযোগ্য হাইলাইট আলাদা করলে স্টোরেজ আপগ্রেডের প্রয়োজনও বাস্তবসম্মতভাবে বোঝা যায়। রেকর্ডিং টুল, বাহ্যিক স্টোরেজ বা ক্লাউড সেবার বিস্তারিত শর্ত সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠায় দেখে নিন।

Advertisement

সাধারণ ভুল ও ডেটা হারানো এড়ানোর বাস্তব চেকলিস্ট

সবচেয়ে নিরাপদ অভ্যাস হলো ম্যাচ শেষ, ফাইল যাচাই, তারপর গেম বন্ধ। এটি প্রতিবার দীর্ঘ প্রক্রিয়া হতে হবে না; কয়েক মুহূর্ত সময় নিয়ে প্রয়োজনীয় ক্লিপ, রিপ্লে বা সেটিংসের অবস্থা দেখে নিলেই অনেক ভুল এড়ানো যায়।

이터널리턴 자동 저장 활용법 관련 이미지 2

  • গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের পর সঙ্গে সঙ্গে গেম বন্ধ করার আগে সংরক্ষণ-সম্পর্কিত অবস্থা দেখুন।
  • রেকর্ডিং চালু থাকলে ফাঁকা স্টোরেজ নিয়মিত যাচাই করুন।
  • পুরোনো ভিডিও জমলে তারিখ, ম্যাচ বা উদ্দেশ্য অনুযায়ী বাছাই করে রাখুন।
  • শুধু একটি কপির ওপর নির্ভর না করে গুরুত্বপূর্ণ ক্লিপের আলাদা ব্যাকআপ বিবেচনা করুন।
  • সেটিংস বদলালে আগের মান লিখে রাখা বা স্ক্রিনশট নেওয়ার অভ্যাস করুন।

ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই গেম বন্ধ করা বা ফাইল না যাচাই করার ঝুঁকি

ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই বেরিয়ে গেলে বা ম্যাচ-পরবর্তী অবস্থা না দেখলে কী সংরক্ষিত হয়েছে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকে যায়। অটো-সেভ আছে কি না, রিপ্লে তৈরি হয়েছে কি না বা ভিডিও ফাইল সম্পূর্ণ হয়েছে কি না—এসব ক্ষেত্রে অনুমান না করে যাচাই করাই ভালো।

স্টোরেজ পূর্ণ, পুরোনো ফাইল জমা ও ব্যাকআপের ভুল

স্টোরেজ পূর্ণ হওয়ার আগে সতর্ক না হলে নতুন রেকর্ডিং রাখার জায়গা কমে যেতে পারে। আবার পুরোনো ফাইল এলোমেলোভাবে থাকলে দরকারি ক্লিপ খুঁজতে সময় লাগে। একটি সহজ ফোল্ডার কাঠামো, নামকরণের অভ্যাস এবং সময়ভিত্তিক পরিষ্কার—এই তিনটি পদ্ধতি যথেষ্ট কার্যকর।

Advertisement

খেলোয়াড়ভেদে সংরক্ষণ পরিকল্পনা

শুধু নিজের উন্নতি দেখতে চাইলে

প্রতিটি ম্যাচ ভিডিও করার প্রয়োজন নাও হতে পারে। নিজের খেলার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, অবস্থান বা ভুল বিশ্লেষণের জন্য রিপ্লে-সম্পর্কিত সুবিধা থাকলে সেটি আগে যাচাই করুন। বিশেষ ম্যাচ হলে ছোট ক্লিপ বা নোট রাখুন। এতে স্টোরেজের চাপ কম থাকবে।

হাইলাইট ক্লিপ তৈরি বা নিয়মিত বিশ্লেষণ করলে

নিয়মিত কনটেন্ট বা বিশ্লেষণ করলে ভিডিও রেকর্ডিংয়ের জন্য আলাদা পরিকল্পনা দরকার। কোন মানে রেকর্ড করবেন, কোন ক্লিপ রাখবেন এবং কত সময় পরে পুরোনো ফাইল সরাবেন—আগে ঠিক করুন। প্রয়োজন বাড়লে নির্ভরযোগ্য স্টোরেজ ও ব্যাকআপ বিকল্প তুলনা করা যুক্তিযুক্ত।

সীমিত SSD জায়গা থাকলে

পুরো ম্যাচ ধরে রাখার বদলে প্রয়োজনীয় ক্লিপ বাছাই করা সুবিধাজনক। রেকর্ডিংয়ের আগে খালি জায়গা দেখুন এবং পুরোনো অপ্রয়োজনীয় ভিডিও নিয়মিত সরান। বড় স্টোরেজ কেনার আগে আপনার আসল সমস্যা জায়গার অভাব, নাকি ফাইল ব্যবস্থাপনার অভাব—তা আলাদা করুন।

Advertisement

নির্বাচন মানদণ্ড ও তুলনা সারাংশ

আপনার জন্য যথেষ্ট সমাধান বাছাই করতে এই প্রশ্নগুলো করুন:

  • আমি কি শুধু সেটিংস ধরে রাখতে চাই, নাকি ম্যাচও পরে দেখতে চাই?
  • আমার কি শেয়ার বা সম্পাদনার জন্য ভিডিও ফাইল দরকার?
  • আমি কত ঘন ঘন রেকর্ড করি এবং কত দিন ফাইল রাখি?
  • বর্তমান ডিস্কে প্রয়োজনীয় ফাঁকা জায়গা আছে কি?
  • সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্লিপ বা কনফিগারেশনের দ্বিতীয় কপি কোথায় থাকবে?

শুধু বিশ্লেষণের প্রয়োজন হলে আগে গেমের রিপ্লে-সম্পর্কিত সুবিধা যাচাই করুন। নিয়মিত ভিডিও রাখলে রেকর্ডিং টুলের ফাইল ব্যবস্থাপনা, স্টোরেজ ব্যবহার ও সামঞ্জস্যতা দেখুন। স্থানীয় ড্রাইভে জায়গা কমে গেলে অতিরিক্ত স্টোরেজ বিবেচনা করুন; জরুরি ফাইল একাধিক জায়গায় রাখতে চাইলে ক্লাউড ব্যাকআপের শর্ত পরীক্ষা করুন।

Advertisement

শেষ কথা

ইটার্নাল রিটার্নে সংরক্ষণের সবচেয়ে ভালো ব্যবস্থা সবার জন্য এক নয়। সেটিংস, রিপ্লে ও ভিডিও—এই তিনটি আলাদা করে ভাবলেই ভুল সিদ্ধান্তের ঝুঁকি কমে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের পরে দ্রুত যাচাই এবং দরকারি ফাইলের আলাদা কপি রাখার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে বেশি কাজে দেয়। স্টোরেজ বাড়ানোর আগে কোন ধরনের ফাইল সত্যিই রাখছেন, সেটি বুঝে নিন।

Advertisement

জেনে রাখলে কাজে লাগবে

১) আপডেটের পরে পরিচিত সেটিংসের অবস্থান বদলাতে পারে।
২) ভিডিও রেকর্ডিং সাধারণত রিপ্লে বা সেটিংসের চেয়ে বেশি ডিস্ক জায়গা ব্যবহার করে।
৩) গুরুত্বপূর্ণ ক্লিপের নাম, তারিখ বা ম্যাচের উদ্দেশ্য লিখে রাখলে পরে খুঁজতে সুবিধা হয়।
৪) ব্যাকআপ মানে শুধু কপি রাখা নয়; কপিটি খোলা যায় কি না, সেটিও মাঝে মাঝে যাচাই করা ভালো।

Advertisement

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংক্ষেপে

বর্তমান সংস্করণে “অটো-সেভ” নামে নির্দিষ্ট কোনো অপশন সব ব্যবহারকারীর জন্য আছে কি না, কোন ফাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে থাকে এবং কত দিন থাকে—এসব বিষয় সংস্করণ ও প্ল্যাটফর্মভেদে নিশ্চিত করে দেখা প্রয়োজন। নির্দিষ্ট ফাইলের অবস্থান, সংরক্ষণসীমা বা ক্লাউড সিঙ্ক আছে কি না ধরে নেওয়া উচিত নয়। ব্যবহৃত রেকর্ডিং সফটওয়্যারের পারফরম্যান্স প্রভাব ও সামঞ্জস্যতাও নিজস্ব পরিবেশে পরীক্ষা করে নিন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Q1. ইটার্নাল রিটার্নে অটো-সেভ চালু থাকলে কি ম্যাচের ভিডিওও নিজে থেকে সংরক্ষিত হবে?

A1. এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়। গেম সেটিংস সংরক্ষণ, ম্যাচ রিপ্লে এবং ভিডিও রেকর্ডিং আলাদা ব্যবস্থা হতে পারে। বর্তমান সংস্করণে কী সংরক্ষিত হচ্ছে, ম্যাচ শেষে সেটি যাচাই করুন।

Q2. রিপ্লে রাখতে বেশি ডিস্ক স্পেস লাগলে আলাদা স্টোরেজ কেনার আগে কী দেখব?

A2. আগে দেখুন আপনি আসলে রিপ্লে রাখছেন, নাকি ভিডিও রেকর্ডিং ফাইল জমাচ্ছেন। কত ঘন ঘন রেকর্ড করেন, কত দিন ফাইল রাখেন এবং অপ্রয়োজনীয় পুরোনো ফাইল সরানো যায় কি না—এসব বিবেচনা করুন। তারপর অতিরিক্ত স্টোরেজ প্রয়োজন কি না সিদ্ধান্ত নিন।

Q3. আপডেটের পরে সেভ বা রেকর্ডিং সেটিংস বদলে গেলে কীভাবে নিরাপদে যাচাই করব?

A3. সেটিংসের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নতুন করে দেখুন, বর্তমান অপশনের অবস্থা নোট করুন এবং ছোট একটি পরীক্ষা করুন। ম্যাচ বা পরীক্ষার পরে গেম বন্ধের আগে সেটিংস, রিপ্লে-সম্পর্কিত অবস্থা ও রেকর্ডিং ফাইল ঠিক আছে কি না যাচাই করুন।